1. info@www.anusandhanibarta.com : অনুসন্ধানী বার্তা : MD AZIZUL HAQ FAHIM
শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ০৯:৫২ অপরাহ্ন

বিজ্ঞাপন দিন

পরীক্ষামূলক সম্প্রচার

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে কোটি কোটি টাকার অগাদ সম্পত্তির মালিক ৯ আওয়ামী ইউপি চেয়ারম্যান লাপাত্তা

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: শনিবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ১৫৫ বার পড়া হয়েছে

এম, এ কাশেম,

বিশেষ প্রতিনিধি চট্টগ্রাম :

উত্তর চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন পরিষদের ৯ চেয়ারম্যান কোটি কোটি টাকার ধন-সম্পদের মালিক!
আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ও শেখ হাসিনার পলায়নের পর রাতারাতি তারা ও পালিয়েছে।সূত্র জানায়, এখানকার ওই ৯ চেয়ারম্যানের মধ্যে ৮ জন-ই দামি গাড়িতে চষে বেড়াতেন সর্বোত্র। ওদের মধ্যে ক্ষমতার অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে কেউ ঠিকাদার, কেউ শিপইয়ার্ড কেউ বা আবার রিয়েল এস্টেট ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
ক্ষমতার অবৈধ প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে তারা রাতকে দিন আর দিনকে রাত বানিয়ে প্রায় সকল শ্রেণী ও পেশার মানুষ কে জিম্মি করে আঙুল পুলে কলাগাছ বনে যাওয়া তথা কোটি কোটি টাকার ধন-সম্পদের মালিক বনে গিয়েছিলো।
কিন্তু, তাদের দলীয় সরকারের পতনের পর ক্ষমতার দাপট দেখানো ওই সব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা হঠাৎ লাপাত্তা। হয়ে গেছে
সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য মোতাবেক ওই সব চেয়ারম্যানরা হলেন- উপজেলার সৈয়দপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এইচ এম তাজুল ইসলাম নিজামী, বারৈয়াঢালার চেয়ারম্যান রেহান উদ্দীন রেহান, মুরাদপুরের চেয়ারম্যান রেজাউল করিম বাহার, বাড়বকুণ্ডের চেয়ারম্যান ছাদাকাত উল্লাহ্ মিয়াজি, বাঁশবাড়িয়ার চেয়ারম্যান শওকত আলী জাহাঙ্গীর, কুমিরার চেয়ারম্যান মোরশেদ চৌধুরী, সোনাইছড়ির চেয়ারম্যান মনির আহমেদ, ভাটিয়ারীর চেয়ারম্যান নাজিম উদ্দীন, সলিমপুরের চেয়ারম্যান সালা উদ্দীন আজিজ।
ওদের সবাই কোটিপতি হলেও শুধুমাত্র মুরাদপুরের চেয়ারম্যান রেজাউল করিম বাহার ছাড়া সবাই চড়তেন দামি গাড়িতে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর থেকে গা ঢাকা দিয়েছেন উপজেলার সব চেয়ারম্যানরা।
সীতাকুণ্ড পৌরসভার মেয়র বদিউল আলম ও কার্যালয়ে না আসায় প্রশাসক নিয়োগ দেয়া হয়েছে। খোঁজ নেই উপজেলা চেয়ারম্যানের ও। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কে এম রফিকুল ইসলামকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
ওই সব চেয়ারম্যানদের বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ রয়েছে এলাকায়। এতোদিন ভয়ে কেউ মুখ খুলেননি। হামলা-মামলার ভয়ে এলাকায় থাকতেন না অনেকে। সময়ের ব্যবধানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও নিষ্ক্রিয় দেখা গেছে অনেক কে।
স্থানীয় অধিবাসীদের অভিযোগ, ওই সব চেয়ারম্যানরা অনেকে পরিবার নিয়ে চট্টগ্রাম শহরে থাকেন। ইচ্ছে করলে তারা ইউনিয়ন পরিষদে আসতেন, না হলে আসতেন না। এদের মধ্যে সোনাইছড়ি ও সলিমপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের অনিয়ম সবচেয়ে বেশি বেশি বলে জানান দেন অনেকেই।
কুমিরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোরশেদ হোসেন চৌধুরী টানা চার মেয়াদে নির্বাচিত হন। কানাডা সহ বিভিন্ন দেশে ভ্রমণ করেছেন তিনি। তার এলাকার শিল্প কারখানা থেকে অবৈধ সুবিধা নেয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
বারৈয়াঢালা চেয়ারম্যান রেহান উদ্দিনের রেহান। চার বারের এ চেয়ারম্যানের রয়েছে বিলাসবহুল গাড়ি। থাকেন চট্টগ্রাম শহরে। তালাক সংক্রান্ত বিচারে তার রয়েছে দক্ষতা। দু’পক্ষকে ধমক দিয়ে বসান বৈঠকে। তারপর সালিশের নামে মূল টাকার অর্ধেক নেন নিজের পকেটে।
বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কে এম রফিকুল ইসলাম জানান, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের সাময়িক ভাবে পদায়ন করা হবে। ইউনিয়ন পর্যায়ে জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন সনদ দিবেন এ কর্মকর্তারা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

অনুসন্ধানী বার্তা: কপিরাইট © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

প্রযুক্তি সহায়তায়: বাংলাদেশ হোস্টিং