এম, এ কাশেম,
বিশেষ প্রতিনিধি চট্টগ্রাম :
বিএনপি’র কেন্দ্রীয় সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি’র সাবেক আহবায়ক ডাঃ শাহাদাত হোসেন বলেছেন, সবাইকে ধৈর্য ধারণ করতে হবে এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষা করতে হবে। কোনো নেতার ওপর, ধর্মীয় মন্দির, মাদ্রাসা গির্জা বা উপাসনালয়ের ওপর হামলা না হয় এ ব্যাপারে সতর্ক দৃষ্টি থাকতে হবে। আমাদের নেতা-কর্মীদের রক্ষা করতে হবে। সকল নেতা-কর্মীদের দায়িত্ব থাকবে মন্দির, মসজিদ, মাদ্রাসা এবং যতো ধরনের উপাসনালয় আছে ভিন্ন ধর্মের ও মতের এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদ কেউ যেনো ধ্বংস করতে না পারে।
সোমবার ( ৫ আগস্ট) চট্টগ্রাম মহাগরীর কাজীর দেউরিতে বিকেলে বিজয় মিছিল শেষে এ কথা বলেন।
ভিন্নমতের প্রতিপক্ষের বাড়ি-গাড়ি ভাঙচুর ও হামলা না করার আহ্বান জানিয়ে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও আহবায়ক ডাঃ শাহাদাত বলেন, কেউ যেনো কোনো কিছু ক্ষতিগ্রস্ত না করে সেদিকে সমস্ত নেতা-কর্মীদের সজাগ থাকতে হবে।
এখন দেশকে বাঁচাতে হবে। এই যুদ্ধটা ছিলো দেশ বাঁচানোর, মানুষ বাঁচানোর। কাজেই আমরা যেহেতু এই যুদ্ধে বিজয়ী হয়েছি। এখন সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে হবে। এখনো যারা কারাগারে আছে সবাইকে মুক্তি দিতে হবে এবং আমাদের নেত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া অসুস্থ উনাকে ও অবিলম্বে মুক্তি দিয়ে সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। যারা শহীদ হয়েছে তাদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। এবং যারা আহত হয়ে আছে তাদেরকে দ্রুত সূ-চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। যে সমস্ত ছাত্র এবং শিক্ষক কারাবন্দি আছে তাদেরকে মুক্তি দিতে হবে।
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব আবুল হাসান বক্কর বলেন, শেখ হাসিনার পতনের মাধ্যমে ছাত্র জনতার বিজয় হয়েছে। এই সরকার দীর্ঘ ১৭ বছরের ধরে জনগণের উপর দমন নিপীড়ন নির্যাতন চালিয়েছিল। আজ স্বৈরাচার শেখ হাসিনার কবল থেকে বাংলাদেশ মুক্ত হয়েছে। আগামীতে নির্দলীয় সরকারের মাধ্যমে সকল দলের ও মতের ভিত্তিতে একটি গণতান্ত্রিক সরকার গঠিত হবে। সকল নেতা-কর্মীদের ধৈর্য ধারণ করার আহ্বান জানাচ্ছি যাতে কোনো ধরনের ধ্বংসাত্মক কোনো কাজ কেউ না করতে পারে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি’র সাবেক যুগ্ন আহ্বায়ক ইয়াসিন চৌধুরী লিটন,ইস্কান্দর মির্জা, আব্দুল মান্নান, গাজী মোহাম্মদ সিরাজুল্লাহ কামরুল ইসলাম সহ বিএনপি যুবদল ছাত্রদল সহ সর্বস্তরের ছাত্র জনতা।