1. info@www.anusandhanibarta.com : অনুসন্ধানী বার্তা : MD AZIZUL HAQ FAHIM
শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ০৯:৫৫ অপরাহ্ন

বিজ্ঞাপন দিন

পরীক্ষামূলক সম্প্রচার

টেকনাফ সীমান্তে আবার ও গুলি- মর্টারশেলের শব্দ: সর্বোত্র-ই আতংক

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
  • প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুলাই, ২০২৪
  • ২৫২ বার পড়া হয়েছে

এম, এ কাশেম,

বিশেষ প্রতিনিধি চট্টগ্রাম :

মিয়ানমার বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি ও সরকারি বাহিনীর মধ্যে সংঘাত অব্যাহত রয়েছে।
কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে মিয়ানমার থেকে ফের গোলাগুলির শব্দ ভেসে আসছে। সেই শব্দে কেঁপে উঠছে সীমান্তের এপারের কক্সবাজারের টেকনাফের কয়েকটি গ্রাম।
সোমবার (১৫ জুলাই) ভোরে গোলাগুলি, মর্টারশেল নিক্ষেপ ও বোমা হামলার বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। এতে গ্রামবাসী সহ প্রশাসনিক কর্মকর্তা-কর্মীচারীদের মধ্যে ও চরম আতংক দেখা দিয়েছে। অনেকেই ঘর/বাসা-বাড়ি থেকে বের হতে সাহস করছে না।
আজ সোমবার (১৫ জুলাই) ভোরে ও গোলাগুলি, মর্টারশেল নিক্ষেপ ও বোমা হামলার বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায় বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। যার ফলে, সরকারি অফিস, ব্যাংক-বীমা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সহ সবার মাঝে এক অজানা আতংক বিরাজ করছে। সহজেই কেউ রাস্তা, মাঠ-ঘাটে বের হতে ও সাহস পাচ্ছে না। টেকনাফ হ্নীলা এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, রাখাইন রাজ্যের মংডু শহরের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দেশটির বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি ও সরকারি বাহিনীর মধ্যে সংঘাত অব্যাহত রয়েছে। জান্তা সরকারের অনেক সদস্য টিকতে না পেরে এদিকে পালিয়ে আসছে। কিন্তু, বিজিবি ও কোস্টগার্ড সতর্ক অবস্থানে আছে। ভারী অস্ত্রের বিকট শব্দে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে বলে জানিয়ে টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুর হোসেন বলেন, ভোর থেকে গোলাগুলি, মর্টারশেল নিক্ষেপ ও বোমা হামলার বিস্ফোরণের শব্দে সীমান্তের বাসিন্দাদের ঘুম হয়নি। সাধারণ মানুষের মাঝে আতঙ্ক বাড়ছে। সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান বলেন, মিয়ানমারের অভ্যন্তরে তাদের গৃহযুদ্ধ তীব্র আকারে চলছে। কয়েক দিন ধরে মিয়ানমারে বিমান থেকে বোমা হামলা চলছে। আর তাদের আভ্যন্তরীণ বিষয়ে গোলাগুলি সহ অন্যান্য অস্ত্র ব্যবহারের ভার বহন করে যেতে হচ্ছে এপারের বাংলাদেশের মানুষদের!
এ অবস্থায় সরকার এর নিরবতা অনেক টা প্রশ্নাতীত হয়ে পড়েছে। সূত্র জানায়, যেখানে খোদ সরকারি কর্মকর্তা/কর্মচারীরা নিরাপত্তা হীনতায় ভূগছে সেখানে সাধারণ মানুষের যে কি হবে বা হতে পারে সহজেই অনুমেয়। সবার দাবি- হয় জান্তা সরকার কে র্থেড় দিয়ে তা বন্ধ করানোর ব্যবস্থা করা। না হয় দেশীয় সিমান্ত রক্ষা বাহিনী অথবা প্রয়োজন মাফিক দেশ রক্ষা বাহিনী দিয়ে তাদের কে দমানোর দরকার।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

অনুসন্ধানী বার্তা: কপিরাইট © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

প্রযুক্তি সহায়তায়: বাংলাদেশ হোস্টিং